সাংস্কৃতিক প্রচারভিযান ও আন্দোলন

বাজিতপুর সরকারি কলেজে নাট্যকলা বিভাগ দাবি

উচ্চশিক্ষায় নাট্যকলা অন্তর্ভুক্তিকরণ সাংস্কৃতিক নাগরিক আন্দোলন বাজিতপুর ও নিকলী, কিশোরগঞ্জ
নাট্যচর্চায় ফিরুন

উচ্চশিক্ষায় নাট্যকলা চাই

মফস্বলের শিক্ষার্থীদের সাংস্কৃতিক বিকাশ ও প্রাতিষ্ঠানিক নাট্যচর্চার সুবর্ণ সুযোগ

আন্দোলনের পটভূমি ও প্রাসঙ্গিকতা

কিশোরগঞ্জ জেলা প্রাচীনকাল থেকেই লোকনাট্য, পালাগান এবং চন্দ্রাবতীর সাহিত্যসাধনার লীলাভূমি। অথচ এই অঞ্চলের উচ্চশিক্ষা স্তরে নাট্যকলা বিষয় অধ্যয়নের কোনো প্রাতিষ্ঠানিক সুযোগ ছিল না। ফলে নাট্যপ্রতিভা থাকা সত্ত্বেও গ্রামীণ তরুণদের রাজধানী বা বিভাগীয় শহরে যেতে হতো।

এই প্রেক্ষাপটে বাজিতপুর সরকারি কলেজে সম্মান (স্নাতক) পর্যায়ে ‘নাট্যকলা বিভাগ’ চালু করার ঐতিহাসিক দাবি উত্থাপন করেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা বিভাগের প্রাক্তন শিক্ষার্থী শেখ মোবারক হোসাইন সাদী এবং জলজ থিয়েটারের নাট্যকর্মীরা।

“মফস্বলের কলেজে নাট্যকলা বিভাগ চালু হলে তা কেবল কয়েকটি ডিগ্রির বিষয় হবে না; এটি পুরো হাওর অঞ্চলের সাংস্কৃতিক আবহাওয়াকেই বদলে দেবে। নাটক পাঠ্যসূচিতে এলে তরুণরা সৃজনশীল, মানবিক ও মুক্তচিন্তার নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠবে।” — শেখ মোবারক হোসাইন সাদী

প্রচারভিযানের মূল পদক্ষেপসমূহ

১. স্বাক্ষর সংগ্রহ ও স্মারকলিপি প্রদান: স্থানীয় সুধীজন, শিক্ষার্থী ও সাংস্কৃতিক কর্মীদের স্বাক্ষরসহ কলেজ অধ্যক্ষ ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আনুষ্ঠানিক স্মারকলিপি পেশ।
২. সচেতনতামূলক পথনাটক: কলেজের সামনে এবং বাজিতপুর পৌর চত্বরে নাট্যকলার গুরুত্ব নিয়ে বিশেষ পথনাটক মঞ্চায়ন।
৩. সংবাদ সম্মেলন ও গোলটেবিল বৈঠক: জাতীয় ও স্থানীয় সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে যৌক্তিকতা বিশ্লেষণ ও দাবির প্রচার।
৪. সোশ্যাল মিডিয়া প্রচারভিযান: শিক্ষার্থী ও তরুণদের নিয়ে ডিজিটাল পিটিশন ও প্রচার।

সহযোগিতা ও সংহতি

প্রধান সমন্বয়ক শেখ মোবারক হোসাইন সাদী
সংহতি প্রকাশকারী দল জলজ থিয়েটার ও নাট্যমঞ্চ
অংশগ্রহণকারী বাজিতপুর কলেজের শিক্ষার্থী সমাজ
সমর্থক কিশোরগঞ্জের সম্মিলিত নাট্য পরিষদ