বানুবিবির পালা নাটকের জন্য তীব্র একাগ্রতায় মঞ্চ মহড়ার দৃশ্য
‘বানুবিবির পালা’ শুধু একটি নাটক নয়, এটি ছিল আমাদের জলজ থিয়েটারের বহু বিনিদ্র রাতের স্বপ্ন ও ভালোবাসার ফসল। হাওরের লোকবিশ্বাস, বানুবিবির মিথ আর নারীর ওপর চাপিয়ে দেওয়া কুসংস্কারের বিরুদ্ধে কথা বলার জন্য নাটকটিকে নতুনভাবে বিনির্মাণ করা ছিল এক বিরাট চ্যালেঞ্জ।
প্রতিকূলতার মাঝে রিহার্সাল
বর্ষায় যখন চারদিকে পানি, আলো নেই, পর্যাপ্ত বাজেট নেই—তখনও আমাদের তরুণ নাট্যকর্মীরা হার মানেনি। ল্যাম্পের আলোয় রিহার্সাল চলেছে গভীর রাত পর্যন্ত। শরীরী কসরত, বাচিক নাট্যভাষার পাঠ আর আবহসংগীতের সুর তৈরি হয়েছে নিজস্ব উদ্ভাবনে।
১৬ ডিসেম্বরের বিজয়োল্লাস
১৬ ডিসেম্বর যখন নিকলী জেলা পরিষদ মিলনায়তনে পর্দা উঠল এবং নাটক শেষে শত শত দর্শক দাঁড়িয়ে অশ্রুসজল চোখে অভিবাদন জানাল—তখন মঞ্চের পেছনে থাকা প্রতিটি কলাকুশলীর চোখ ভিজে গিয়েছিল। সেই মুহূর্তটিই একজন নাট্যনির্দেশকের জীবনের শ্রেষ্ঠ প্রাপ্তি।